ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
১৮২০ খ্রিস্টাব্দে মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন ।
মেধাবী ছাত্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত কলেজ থেকে বিদ্যাসাগর উপাধি লাভ করেন এবং পরবর্তীকালে সংস্কৃত কলেজের অধ্যক্ষ পদে নিযুক্ত হন।
শিক্ষা বিস্তার, স্ত্রী শিক্ষার প্রসার, বিধবা বিবাহ প্রচলন , বহুবিবাহ রোধ ইত্যাদি নানা রকম সমাজ সংস্কারের সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন ।
তাঁর রচিত গ্রন্থগুলির মধ্যে রয়েছে- আখ্যান মঞ্জুরী , বোধোদয় , ঋজুপাঠ , কথামালা , বর্ণপরিচয় , বেতাল পঞ্চবিংশতি , শকুন্তলা , সীতার বনবাস , ভ্রান্ত বিলাস প্রভাবতী সম্ভাষণ , ইত্যাদি । তিনি ১৮ ৯১ সালে মৃত্যুবরণ করেছেন।
....................................….….............................
১. প্রভাবতী সম্ভাষণ- রচনাটির উৎস কি?
👉 প্রভাবতী সম্ভাষণ
২. প্রভাবতী সম্ভাষণ রচনাটির প্রেক্ষাপট কি ?
👉 বিদ্যাসাগরের বন্ধু কন্যা প্রভাবতীর মৃত্যু
৩. রচনাটির প্রথমে প্রভাবতীকে কি বলে সম্বোধন করেছেন?
👉 বৎস্যে প্রভাবতী !
৪. প্রভাবতী কি কি বিসর্জন দিয়ে সকলের দৃষ্টিপথের বহির্ভূত হয়েছিল ?
👉 দয়া, মমতা ও বিবেচনা
৫. বিদ্যাসাগর কিরূপ চিত্ত ও স্নেহভরে প্রভাবতীর চিন্তায় নিমগ্ন থাকতেন ?
👉 অনন্যচিত্ত ও অবিচলিত স্নেহভরে
৬. প্রতিক্ষনে বিদ্যাসাগরের কি স্পষ্ট প্রতীতি হচ্ছিল ?
👉 প্রভাবতী যেন বসে আছে
৭. প্রভাবতী বিদ্যাসাগর কে কি নামে ডাকত ?
👉 নীনা
৮. প্রভাবতী কি বলে করসসঞ্চালন করে বিদ্যাসাগরকে আহবান করত ?
👉 আয় না
৯. প্রভাবতী কোথায়? -বিদ্যাসাগর এই জিজ্ঞাসা কাকে করতো ?
👉 প্রভাবতীর পিতামহদেবীকে
১০. প্রভাবতী বিদ্যাসাগরের কোলে কি বলে শয়ন করিতো ?
👉 শোলো
১১. প্রভাবতী কি বলে বিদ্যাসাগরের কাছ থেকে সুপারি চাইতো ?
👉 দুখুনি দে
১২. বিদ্যাসাগর প্রভাবতীকে কোলে নিয়ে সিঁড়ি থেকে নামার সময় প্রভাবতি কি বলতো ?
👉 নাফাসনি , পড়ে যাব
১৩. দেখ্ দিখি মা , আমার কথা শোনে না - প্রভাবতী কোন প্রসঙ্গে এ কথা বলেছিল ?
👉 সিঁড়ি থেকে নামার সময় লাফানোর প্রসঙ্গে
১৪. বিদ্যাসাগরের দৈবযোগে নিদ্রাবেশ ঘটেছিল কখন ?
👉 দিবাভাগে অর্থাৎ দিনের বেলা
১৫. বিদ্যাসাগর প্রভাবতি কে কেন বলেছিলেন - "তোমার কিছু মাত্র দয়া মমতা নাই " ?
👉 কারণ প্রভাবতী সল্প সময়ের জন্য এসে সকলকে মর্ম বেদনা দিয়ে চলে গেছে
১৬. সংসারের কেবল একটি জিনিস ছাড়া আর কোন বিষয়েই বিদ্যাসাগর সুখ বা প্রীতিলাভ করতে পারতেন না- সেই জিনিসটি কি ?
👉 প্রভাবতী
১৭. বিদ্যাসাগর প্রভাবতী কে কার কার সঙ্গে তুলনা করেছেন ?
👉 অন্ধকার গৃহে প্রদীপ , চির শুষ্ক মরুভূমিতে প্রস্রবণ
১৮. প্রভাবতীর মূর্তি কেমন ছিল ?
👉 অদ্ভুত মনোহর মূর্তি
১৯. প্রভাবতীর ভাবভঙ্গি কেমন ছিল ?
👉 প্রভূত মাধুরীপূর্ণ
২০. প্রভাবতীকে মুহূর্তের জন্যও কি অনুভব করতে হয়নি ?
👉 অস্নেহ বা অনাদর
২১. প্রভাবতীর মৃত্যুর পর বিদ্যাসাগর নিজের মনকে কি বলে প্রবোধ (সান্ত্বনা) দিতে পারতো ?
👉 প্রভাবতী আদরে আদরে তার নরলীলা সম্পন্ন করে গেছে , তাকে সংসারের জীবনের দুঃখ কষ্ট ভোগ করতে হয়নি ।
২২. একটি বিষয়ে বিদ্যাসাগরের হৃদয়ে অত্যন্ত ক্ষোভ জন্মে রয়েছে- কেন ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল বিদ্যাসাগরের মনে ?
👉 প্রভাবতীর অন্তিম সময়ে অধিক জল পিপাসা সত্ত্বেও চিকিৎসকের কথা অনুযায়ী বিদ্যাসাগর তাকে ইচ্ছামত জল পান করতে দেননি , সান্ত্বনা দিয়ে থামিয়েছিলেন ।
২৩. কোন বিষয় বিষদিগ্ধ শল্যের মত চিরদিন বিদ্যাসাগরের হৃদয়ে গেঁথে থাকবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যাসাগর ?
👉 প্রভাবতীর অন্তিম কালে বারবার কাতর দৃষ্টিতে জল পার্থনা
২৪. বিদ্যাসাগর নিজেকে কোনদিন ভূমন্ডলের সবচেয়ে বড় পামর ও পাষণ্ড মনে করবেন ?
👉 যদি কোনদিন তিনি প্রভাবতীর মর্মভেদী কাতর জল প্রার্থনা ভুলে যান - সেদিন
২৫. প্রভাবতীকে অধিকক্ষণ না দেখতে পেলে বিদ্যাসাগরের কেমন মনে হতো?
👉 অসুখী ও উৎকণ্ঠিত
২৬. প্রভাবতীর অবর্তমানে বিদ্যাসাগর কেমন ভাবে কালযাপন করছেন বলে জানিয়েছেন?
👉 অতি বিষম অসুখে
২৭. বিদ্যাসাগর প্রভাবতীর সম্পর্কে এই রচনাটি কেন লিখেছেন বলে জানিয়েছেন ?
👉 যাতে কালো ক্রমে তিনি কখনোই প্রভাবতী কে ভুলে না যান , তার অদ্ভুত মনোহর মূর্তি যেন বিদ্যাসাগরের হৃদয়ে চিরকাল থাকে ।
২৮. রচনার শেষে বিদ্যাসাগর প্রভাবতীর কাছে কোন বাসনা ব্যক্ত করেছেন?
👉 যদি পুনরায় প্রভাবতী কোনদিন নরলোকে / পৃথিবীতে জন্ম নেন , তাহলে যারা তার স্নেহে বদ্ধ হবে তাদের যেন বিদ্যাসাগরের মতো দুঃসহ শোক, যাতনা ভোগ করতে না হয় ।
২৯. কোপাবিষ্ট - শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ কি হবে ?
👉 কোপ্ + আবিষ্ট
৩০. শয়ন শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করলে কি হবে?
👉 শে + অন্
৩১. উৎকণ্ঠিত শব্দের পদান্তর কি হবে?
👉 উৎকণ্ঠা
৩২. সজল শব্দের সমাস কি হবে ?
👉 সহার্থক বহুব্রীহি
৩৩. আহ্লাদ - শব্দের পদান্তর করলে কি হবে ?
👉 আহ্লাদিত
৩৪. সাতিশয় শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কি হবে?
👉 স + অতিশয়
৩৫. সহাস্য শব্দের সমাস কি হবে ?
👉 সহার্থক বহুব্রীহি
🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴🔴

0 Comments