Header Ads Widget

Responsive Advertisement

উল্লেখযোগ্য পুরস্কার


  

কিছু উল্লেখযোগ্য পুরস্কার
সম্পর্কে পরিচয়


১)  নোবেল পুরস্কার:-

সুয়েডীয় বিজ্ঞানী আলফ্রেড 
নোবেলের  ১৮৯৫ সালে করে যাওয়া একটি উইলের মর্মানুসারে নোবেল পুরস্কার প্রচলন করা হয়।
১৯০১ খ্রিষ্টাব্দে নোবেল পুরস্কার প্রবর্তিত হয়। ঐ বছর থেকে সারা পৃথিবীর বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সফল এবং অনন্যসাধারণ গবেষণা ও উদ্ভাবন এবং মানবকল্যাণমূলক তুলনারহিত কর্মকাণ্ডের জন্য এই পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে। মোট ছয়টি বিষয়ে পুরস্কার প্রদান করা হয়। বিষয়গুলো হলো: পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসা শাস্ত্র, অর্থনীতি, সাহিত্য এবং শান্তি। 

নোবেল পুরস্কারকে এ সকল ক্ষেত্রে বিশ্বের সবচেয়ে সম্মানজনক পদক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্তদেরকে ইংরেজিতে নোবেল লরিয়েট বলা হয়।

-------------------------------------------------------

২) ভারতরত্ন পুরস্কার:

ভারতের রত্ন হল ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের  সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মাননা। ১৯৫৪ সালের ২ জানুয়ারি এই সম্মান চালু হয়। জাতি, পেশা, পদমর্যাদা বা লিঙ্গ নির্বিশেষে "সর্বোচ্চ স্তরের ব্যতিক্রমী সেবা/কার্যের স্বীকৃতি স্বরূপ" এই সম্মান প্রদান করা হয়। প্রথম দিকে এই সম্মান কেবলমাত্র শিল্পকলা, সাহিত্য, বিজ্ঞান ও জনসেবায় বিশেষ কৃতিত্বের অধিকারীদেরই দেওয়া হত। কিন্তু ২০১১ সালের ডিসেম্বর মাসে ভারত সরকার এই সম্মান প্রাপ্তির ক্ষেত্রে "মানবিক কৃতিত্বের যে কোনো ক্ষেত্র" নামে আরো একটি শর্ত যুক্ত করে। যাকে ভারতরত্ন প্রদান করা হয় তার নাম ভারতের প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করেন। বছরে সর্বোচ্চ তিন জনকে ভারতরত্ন সম্মান প্রদান করা হয়। প্রাপক ভারতের রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষর-সম্বলিত একটি সনদ (প্রশংসাপত্র) এবং অশ্বত্থ পাতার আকৃতি-বিশিষ্ট একটি পদক পান। এই সম্মানের সঙ্গে কোনো অর্থমূল্য দেওয়া হয় না। ভারতীয় পদমর্যাদা ক্রমে ভারতরত্ন প্রাপকদের স্থান সপ্তম। তবে এই সম্মানের নাম উপাধি হিসেবে ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাংবিধানিক নিষেধাজ্ঞা আছে।

-------------------------------------------------------

৩) পদ্মবিভূষণ পুরস্কার:

পদ্মবিভূষণ ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মাননা। পদ্মবিভূষণ প্রাপককে ভারতের রাষ্ট্রপতি একটি পদক ও একটি মানপত্র দ্বারা ভূষিত করেন। ১৯৫৪ সালের ২ জানুয়ারি এই সম্মানটি প্রবর্তিত হয়। মর্যাদাক্রম অনুসারে, পদ্মবিভূষণের স্থান ভারতরত্নের পরে, কিন্তু পদ্মভূষণের আগে। সরকারি পরিষেবা সহ যে কোনো ক্ষেত্রে জাতির প্রতি বিশেষ ও ব্যতিক্রমী অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মান প্রদান করা হয়।

-------------------------------------------------------

৪) পদ্মভূষণ পুরস্কার:

পদ্মভূষণ ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মাননা। ১৯৫৪ সালের ২ জানুয়ারি ভারতের রাষ্ট্রপতি কর্তৃক এই পুরস্কার প্রবর্তিত হয়। ভারতের অসামরিক সম্মাননাগুলির মর্যাদাক্রম অনুসারে এই সম্মাননার স্থান ভারতরত্ন ও পদ্মবিভূষণের পরে, কিন্তু পদ্মশ্রীর আগে। জাতির প্রতি বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। ২০০৯ সাল অবধি, ১০৬৪ জন এই সম্মানে ভূষিত হয়েছেন।

------------------------------------------------------

৫) জ্ঞানপীঠ পুরস্কার :

১৯৬১ সালে জ্ঞানপীঠ পুরস্কার চালু হয়।
জ্ঞানপীঠ পুরস্কার ভারতের সর্বোচ্চ সাহিত্য পুরস্কার। দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া পত্রিকার প্রকাশক সাহু জৈন পরিবার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত অছিপরিষদ "ভারতীয় জ্ঞানপীঠ" এই পুরস্কারটি প্রদান করে থাকে।

সংস্কৃত ভাষায় জ্ঞানপীঠ শব্দের অর্থ "জ্ঞানের বেদি"।
পুরস্কারের অর্থমূল্য ৭০০,০০০ টাকা। সঙ্গে জ্ঞান, শিল্পকলা ও সংগীতের দেবী সরস্বতীর একটি প্রতিমূর্তি এবং একটি মানপত্র দেওয়া হয়।
১৯৬৫ সালে মালায়লাম লেখক জি শঙ্কর কুরুপ প্রথম এই পুরস্কার লাভ করেন।

-------------------------------------------------------

৬)  সাহিত্য অকাদেমী পুরস্কার :-

সাহিত্য অকাদেমী পুরস্কার  ভারতের একটি সাহিত্য সম্মাননা। ভারতে জাতীয় সারস্বত প্রতিষ্ঠান সাহিত্য অকাদেমী কর্তৃক ১৯৫৪ সাল থেকে ভারতের রাষ্ট্রভাষাগুলিতে  রচিত অসামান্য সাহিত্যকীর্তিগুলির স্বীকৃতিস্বরূপ এই পুরস্কার প্রদত্ত হয়ে আসছে।
এই পুরস্কারে অর্থমূল্য ৫০,০০০ ভারতীয় রূপী। ২০০৯ সালে ভারত সরকার পুরস্কারের মূল্যমান ১,০০,০০০ (এক লক্ষ) রূপীতে উন্নীত করার ঘোষণা করেছে।  সাহিত্য অকাদেমী ফেলোশিপের পর এটি ভারত সরকার প্রদত্ত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সাহিত্য সম্মাননা।

-------------------------------------------------------

৭) সাহিত্য অকাদেমী ফেলোশিপ :

সাহিত্য অকাদেমী ফেলোশিপ  ভারতের একটি সাহিত্য সম্মাননা। ভারতের জাতীয় সারস্বত প্রতিষ্ঠান সাহিত্য অকাদেমী কর্তৃক “সাহিত্যের অমরবৃন্দের” প্রতি এটি প্রদত্ত হয়। প্রত্যেক বারে সর্বাধিক ২১ জনকে এই সম্মান দেওয়া যেতে পারে। ভারত সরকার প্রদত্ত এটি সর্বোচ্চ সাহিত্য সম্মান। এই ফেলোশিপ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৮ সালে এবং অকাদেমীর প্রথম নির্বাচিত ফেলো ছিলেন দার্শনিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ডক্টর সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন। একুশ জন ফেলো ছাড়াও অল্প কয়েকটি সাম্মানিক ফেলোশিপও দেওয়া হয় ভারতীয় সাহিত্যের আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বদের।

-------------------------------------------------------

৮)  রামোন ম্যাগসেসে পুরস্কার:

রামোন ম্যাগসেসে পুরস্কার ১৯৫৭ সালের এপ্রিল মাসে প্রবর্তিত হয়। এটি প্রবর্তন করেন  নিউইয়র্ক  শহরভিত্তিক রকফেলার ব্রাদার্স ফান্ড এর সম্মানিত ট্রাস্টিবৃন্দ। এই পুরস্কারটির প্রবর্তন করা হয় ফিলিপাইনের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি  রামোন ম্যাগসেসেকে স্মরণ করে।

প্রতি বছর রামোন ম্যাগসেসে এওয়ার্ড ফাউন্ডেশন এশিয়ার বিভিন্ন ব্যক্তি এবং সংগঠনকে স্ব-স্ব ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান ও কৃতিত্বের জন্য এই পুরস্কার প্রদান করে। ছয়টি শ্রেণীতে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়:

সরকারী সেবা
জনসেবা
সামাজিক নেতৃত্ব
সাংবাদিকতা, সাহিত্য এবং যোগাযোগে উদ্ভাবনী কলা
শান্তি ও আন্তর্জাতিক সমন্বয়
নতুন নেতৃত্ব

------------------------------------------------------

৯) রবীন্দ্র পুরস্কার বা রবীন্দ্রস্মৃতি পুরস্কার:

রবীন্দ্র পুরস্কার বা রবীন্দ্র স্মৃতি পুরস্কার পশ্চিমবঙ্গের সর্বোচ্চ সাহিত্য পুরস্কার। পুরস্কারটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামাঙ্কিত। ১৯৫০ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই পুরস্কার প্রবর্তন করে। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি এই পুরস্কার দিয়ে থাকে। ১৯৫০ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত এক বা একাধিক লেখককে কোনো একটি বিশেষ গ্রন্থ রচনার স্বীকৃতি স্বরূপ রবীন্দ্র পুরস্কার দেওয়া হয়। ১৯৮৩ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত সাহিত্য ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রে সারা জীবনের অবদানের নিরিখে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। ২০০৪ ও ২০০৫ সালে বিশেষ গ্রন্থ রচনার জন্য একাধিক লেখককে এই পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়। ২০০৬ থেকে আবার সারা জীবনের অবদানের নিরিখে এই পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।

------------------------------------------------------

১০)  বঙ্কিম পুরস্কার:

বঙ্কিম পুরস্কার (বঙ্কিম স্মারক পুরস্কার) পশ্চিমবঙ্গ সরকার কর্তৃক বাংলা কথাসাহিত্যে অবদানের জন্য দেওয়া সর্বোচ্চ পুরস্কার। খ্যাতিমান বাঙালি সাহিত্যিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের স্মরণে এই পুরস্কারটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৫ সালে। এই পুরস্কার প্রদানের দায়িত্ব ২০০৩ সালে থেকে তথ্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক বিভাগের অধীনে রয়েছে এবং পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির অধীনে আনা হয়েছে। এই পুরস্কার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী কর্তৃক প্রদান করা হয়।

------------------------------------------------------

১১)  একুশে পদক :

একুশে পদক বাংলাদেশের একটি জাতীয় এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার। বাংলাদেশের বিশিষ্ট ভাষাসৈনিক, ভাষাবিদ, সাহিত্যিক, শিল্পী, শিক্ষাবিদ, গবেষক, সাংবাদিক, অর্থনীতিবিদ, দারিদ্র্য বিমোচনে অবদানকারী, সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় পর্যায়ে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৬ সাল থেকে একুশে পদক প্রদান করা হচ্ছে। ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ১৯৭৬ সালে এই পদকের প্রচলন করা হয়। ২০১২ সাল পর্যন্ত ৩৬১ জন গুণী ব্যক্তি ও ২টি প্রতিষ্ঠানকে একুশে পদক প্রদান করা হয়েছে। 
বাংলাদেশের প্রথম সামরিক শাসক জেনারেল জিয়াউর রহমান ১৯৭৬ সালে একুশে পদক প্রবর্তন করেন। বঙ্গভবনে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে কবি কাজী নজরুল ইসলামকে প্রথমবারের মতো একুশে পদক প্রদান করা হয়। পরে কবি জসীম উদ্দীন ও বেগম সুফিয়া কামাল একুশে পদকে ভূষিত হন।

-------------------------------------------------------

১২)  আনন্দ পুরস্কার:

আনন্দ পুরস্কার  ভারতের  পশ্চিমবঙ্গের আনন্দ প্রকাশনা গ্রুপ কর্তৃক প্রদত্ত একটি বার্ষিক সাহিত্য পুরস্কার।
১৯৫৮ খ্রিষ্টাব্দের ২০শে এপ্রিল আনন্দ প্রকাশনা গ্রুপ বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য পুরস্কার চালু করে। প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা প্রফুল্লকুমার সরকার ও সুরেশচন্দ্র মজুমদারের স্মৃতিতে প্রথমে এই পুরস্কার চালু করা হয়। ১৯৮৪ খ্রিষ্টাব্দে অশোক কুমার সরকারের স্মৃতিতে দেশ পত্রিকার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে অপএ একটি পুরস্কার চালু করা হয়। এই তিনটি পুরস্কার ২০০০ খ্রিষ্টাব্দে একত্র করা হয়।

-------------------------------------------------------

১৩) একাডেমি পুরস্কার বা অস্কার:-

একাডেমি পুরস্কার বা অস্কার (Oscar) হলো একাডেমি অফ মোশন পিকচার আর্টস এন্ড সায়েন্সেস (AMPAS) কর্তৃক প্রদত্ত একটি বার্ষিক পুরস্কার, যেখানে রূপালি জগতের অসাধারণ পেশাদার যেমন পরিচালক, অভিনেতা, এবং লেখকদের কাজকে সম্মানে ভূষিত করা হয়। যে আনুষ্ঠানিক পর্বের মাধ্যমে পুরষ্কারগুলো প্রদান করা হয় তা পৃথিবীর সেরা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের দলভুক্ত। তাছাড়া এটি গণমাধ্যমের সবচেয়ে পুরনো পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। সারা বিশ্বে সর্বাধিক সংখ্যক মানুষ এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানটি উপভোগ করে থাকেন। একটি জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই পুরস্কার প্রদান হয়। ২০০১ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ২০১২ পর্যন্ত হলিউডের কোডাক থিয়েটারে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দ থেকে লস অ্যাঞ্জেলেসের নকিয়া থিয়েটারে অস্কার প্রদান অনুষ্ঠিত হবে মর্মে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

-------------------------------------------------------

১৪) আলাওল সাহিত্য পুরস্কার :

আলাওল সাহিত্য পুরস্কার  একটি 
বাংলাদেশী পুরস্কার, যা বাংলা সাহিত্যের তিনটি ধারা যথাক্রমে কবিতা, ছোটগল্প এবং উপন্যাসে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য বাংলাদেশী ব্যক্তিবিশেষকে প্রদান করা হয়। পবাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের বাঙালি কবি আলাওলের (১৫৯৭-১৬৭৩) স্মরণে ফরিদপুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি উন্নয়ন সংস্থা কর্তৃক ১৯৭৪ সাল থেকে এ পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।

-------------------------------------------------------

১৫) বাফটা ফেলোশিপ / ব্রিটিশ একাডমি ফেলোশিপ :

বাফটা ফেলোশিপ, বা ব্রিটিশ একাডেমি ফেলোশিপ হল আজীবন অবদানের জন্য ব্রিটিশ একাডেমি অব ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন আর্টস (বাফটা) প্রদত্ত একটি পুরস্কার। ১৯৭১ সাল থেকে "চলচ্চিত্রের শিল্প রূপে অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ" এই পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে। এটি ব্রিটিশ একাডেমি সর্বোচ্চ সম্মাননা। চলচ্চিত্র পরিচালকগণই মূলত ফেলোশিপ প্রাপক, কিন্তু কয়েকজন অভিনয়শিল্পী, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র প্রযোজক, চিত্রগ্রাহক, চলচ্চিত্র সম্পাদক, ও চিত্রনাট্যকার, এবং ভিডিও গেম ক্ষেত্রে অবদানের জন্য এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। যুক্তরাজ্যের ব্যক্তিগণই বেশির ভাগ এই পুরস্কার লাভ করেছেন, তবে বেশ কিছু মার্কিন ও ইউরোপীয় অন্যান্য দেশের ব্যক্তিরাও এই পুরস্কার পেয়েছেন। ২০১০ সালে এই পুরস্কার প্রাপ্ত শিগেরু মিয়ামোতো হলে এই পুরস্কার বিজয়ী প্রথম এশীয় ব্যক্তি।

-------------------------------------------------------

১৬) কালি ও কলম তরুণকবি ও লেখক পুরস্কার :

কালি ও কলম তরুণ কবি ও লেখক পুরস্কার বাংলাদেশের তরুনদের জন্য একটি পুরস্কার যা শিল্প ও সাহিত্যবিষয়ক পত্রিকা কালি ও কলম-এর পক্ষ থেকে প্রদান করা হয়। ২০০৮ সাল থেকে এই পুরস্কারটি প্রদান করা হচ্ছে। 
বাংলাদেশের তরুণ কবি ও লেখকদের সৃজনশীল কর্মকে উৎসাহদানের উদ্দেশ্যে শিল্প ও সাহিত্যবিষয়ক পত্রিকা কালি ও কলম কবিতা এবং সৃজনশীল-মননশীল সাহিত্য এই দুটি বিভাগে তরুণ কবি ও লেখক পুরস্কার প্রবর্তন করে থাকে।

-------------------------------------------------------

১৭)  পুলিৎজার পুরস্কার:

পুলিৎজার পুরস্কার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে  ছাপার সাংবাদিকতা, সাহিত্য এবং সঙ্গীতের সর্বোচ্চ পুরস্কার হিসেবে বহুল সমাদৃত। নিউ ইয়র্ক সিটিতে  অবস্থিত  কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটি এর প্রশাসকের ভূমিকা পালন করে। এক অর্থে জোসেফ পুলিৎজার ও উইলিয়াম হার্স্ট হলুদ সাংবাদিকতার প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে অন্যতম। পুলিৎজার নামের এই হাঙ্গেরীয়-মার্কিন সাংবাদিকই পুলিৎজার পুরস্কারের প্রচলন করেছিলেন। ১৯১১ সালে মৃত্যুর সময় পুলিৎজার কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটিতে প্রচুর পরিমাণ অর্থ রেখে গিয়েছিলেন। তার অর্থের কিছু অংশ দিয়ে ১৯১২ সালে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা স্কুল গঠিত হয়েছিল। এই অর্থের মাধ্যমে ১৯১৭ সালের ৪ঠা জুন প্রথম পুলিৎজার পুরস্কারের ঘোষণা দেয়া হয়। বর্তমানে প্রতি বছরের এপ্রিল মাসে পুরস্কারটি ঘোষিত হয়।

-------------------------------------------------------

১৮) নেহেরু পুরস্কার:

আন্তর্জাতিক পর্যায়ের জওহরলাল নেহেরু পদক ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরুর সম্মানে ভারতের সরকার কর্তৃক উপস্থাপিত আন্তর্জাতিক পুরস্কার।
এটি ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং ভারতীয় কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেশনস (আইসিসিআর) দ্বারা জনগণকে "বিশ্বের মানুষের মধ্যে আন্তর্জাতিক বোঝার, সৌভাগ্য এবং বন্ধুত্বের উন্নয়নে তাদের অসামান্য অবদানের জন্য" পরিচালিত করে। এই পুরস্কারের অর্থকেন্দ্র ২৫ লাখ রুপি।

-------------------------------------------------------

(অনিচ্ছাকৃত ত্রুটি মার্জনীয়)

Post a Comment

0 Comments