Header Ads Widget

Responsive Advertisement

দৌলত কাজী

 

দৌলত কাজী


 
ইসলাম ধর্মীয় কবিদের উদ্ভবের ইতিহাস:

বহুকাল থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে আরব দেশীয় মুসলমান বণিকদের ব্যবসায়িক কারণে যাতায়াত ছিল ফলে বাংলাদেশে মুসলমান আসার আগেই আরবীয় মুসলমানদের উপনিবেশ গড়ে উঠেছিল সময় চট্টগ্রামের নিকটবর্তী আরাকান রাজ্যে এই বনিক মুসলমানগনের কেউ কেউ নিজ প্রতিভা গুনে সেনাপতি কিংবা আমাত্য পদে স্থান পেয়েছিলেন এদের প্রেরণাতেই এবং উৎসাহে মুসলমান কবিগন বাংলা ভাষায় সাহিত্য সৃষ্টিতে প্রণোদিত হয়েছিলেন।

 

মধ্যযুগের উল্লেখযোগ্য মুসলমান কবিগন
 

মধ্যযুগে বেশ কিছু মুসলমান কবিদের পরিচয় পাওয়া যায় যেমন পঞ্চদশ শতাব্দীতে কবি সগির , জৈনুদ্দিন , মোজাম্মিলের নাম বিশেষভাবে স্মরণীয়

ষোড়শ শতকের কবি - সাবিরিদ খাঁ, শেখ ফয়জুল্লা, মোহাম্মদ কবীর প্রমুখের কথা উল্লেখযোগ্য , যদিও এদের লেখা গ্রন্থ গুলি আর পাওয়া যায় না

সপ্তদশ শতকে আরাকানের রোসাঙ্ রাজসভাকে কেন্দ্র করে দুজন কবির নাম বিশেষভাবে স্মরণীয়।

- দৌলত কাজী এবং সৈয়দ আলাওল।

 

যাইহোক আজকে আমাদের পাঠ্য দৌলত কাজী সম্পর্কে

 

দৌলত কাজীর জন্ম বংশ পরিচয়

চট্টগ্রামের রাউজান থানার অন্তর্গত সুলতানপুর গ্রামে সপ্তদশ শতাব্দীর কোন এক সময়ে দৌলত কাজীর জন্ম ।সম্ভবত তিনি ছিলেন সুফি মতাবলম্বী , সুফি সাধক মৈনুদ্দীন মোহাম্মদ চিস্তীর অনুগামী তাঁরপিতৃপুরুষগণ ছিলেন হিন্দু অতি অল্প বয়স থেকেই তিনি নানা বিদ্যায় পারদর্শী হয়েছিলেন।  মধ্যযুগের অন্যান্য কবিদের মতো তার কাব্যেও পৃষ্ঠপোষক সম্পর্কে পরিচয় থাকলেও কবি নিজের সম্পর্কে কোন তথ্য দেননি 

 


রাজসভায় যোগদান কাব্য রচনা


কাজী আরাকান রাজ শ্রীসুধর্মার সমর বিভাগের মন্ত্রী আশরাফ খানের উৎসাহে আরাকান রাজসভায় স্থান পেয়েছিলেন আশরাফ খানের উৎসাহে তিনি ১৬৩১ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৬৩৮ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে  কাব্যের দুই তৃতীয়াংশ মাত্র রচনা করেন তার এই অসমাপ্ত কাব্য পরবর্তীতে সমাপ্ত করেছিলেন সৈয়দ আলাওল।

 

কাব্যের উৎস

হিন্দি কবি সাধনের ঠেট-গোহারী (গ্রাম্য হিন্দি) ভাষায় রচিতময়না কো সত্’  কাব্য অবলম্বনেলোরচন্দ্রাণীবাসতীময়না’  কাব্যটি রচনা করেন।

এছাড়াও কিছু অন্যান্য কাব্যের কাহিনীর সাথেও তার কাহিনী গত কিছু মিল দেখা গেছে, যেমন মুল্লা দাউদের "চান্দায়ন" কাব্য , হায়দ্রাবাদের মিউজিয়ামে স্থিত "মৈনাসতবন্তী" , ছত্রিশগড়ের উপকথার কাহিনী, ইত্যাদি।

 

 

 কাব্যের কাহিনী

 

 

 

কাব্যের বৈশিষ্ট্য

. কাব্যটিকে মর্ত্য জীবন রসের কাব্য বলে গণ্য করা হয়

. দৌলত কাজীর কাব্যে ধর্মান্ধতা ছিল না।

. চিত্রকলা , উপমা অন্যান্য অলংকার , ছন্দের প্রয়োগ কাব্যকে সুমন্ডিত করেছে

. কাব্যে রূপকথা ধর্মী এবং রোমান্স পূর্ণ কাহিনী লক্ষ্য করা যায়

. দাম্পত্য জীবনের আঙ্গিকে চরিত্র গুলি জীবন্তভাবে সমুজ্জল হয়েছে।





Post a Comment

0 Comments